ভিটামিন ডির উৎস

ডিপ্রেশন বা হতাশা একটি মেন্টাল ডিসঅর্ডার বা মানসিক অসুস্থতা। অতিমাত্রায় ডিপ্রেশনকে মানসিক রোগ বলে চিহ্নিত করা হয়।
ব্যক্তিজীবনের দৈনন্দিন কাজকর্ম, খাবার, ঘুম, অনুভূতি, চাওয়া-পাওয়া, পারিবারিক সম্পর্ক—সব ক্ষেত্রেই ডিপ্রেশনের প্রভাব দেখা যায়।এই ডিপ্রেশনের কারণে মানুষ জীবনকে উপভোগ করতে পারে না। এমনকি কোনো কাজে মনোযোগী হতে পারে না। এ কারণে হতাশাগ্রস্ত ব্যক্তি একটি দুর্বিষহ জীবন যাপন করে। অতিমাত্রায় ডিপ্রেশনের কারণে অনেক সময় মানুষ আত্মহননের পথ বেছে নেয়।

বিভিন্ন কারণে ডিপ্রেশন দেখা যেতে পারে। ডিপ্রেশনের কারণ হিসেবে জেনেটিক, পারিপার্শ্বিক ও শারীরিক অবস্থা, ব্যক্তিজীবনের অপ্রাপ্তি, অপূর্ণতা, পারিবারিক জীবনের অশান্তি, দ্বন্দ্ব ইত্যাদিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে গবেষণায় দেখা গেছে, ডিপ্রেশনের সঙ্গে আরেকটি বিষয় ওতপ্রোতভাবে জড়িত। সেটি হচ্ছে খাদ্য ও পুষ্টি। খাদ্য ও পুষ্টি মানুষের মানসিক ও আবেগপ্রবণ বিষয়গুলোকে বিশেষভাবে প্রভাবিত করে। পর্যাপ্ত ভিটামিন ও মিনারেলের অভাবে মস্তিষ্কের সঠিক কার্যক্রম বাধাপ্রাপ্ত হয় এবং অবসাদ, দুশ্চিন্তা ও হতাশা দেখা দেয়।

কিছু ভিটামিন ও মিনারেল আছে, যেগুলোর অভাবে ডিপ্রেশন দেখা দেয়। এই ভিটামিন ও মিনারেলসমৃদ্ধ খাবার খাদ্যতালিকায় যোগ করে ডিপ্রেশন চিকিৎসার প্রথম পদক্ষেপ নেওয়া যায়। জরুরি প্রয়োজনে এসব ভিটামিন ও মিনারেল সাপ্লিমেন্ট হিসেবেও দেওয়া হয়।

ভিটামিন ডি সেরোটোনিন হরমোনের সঠিক কার্যকারিতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই হরমোন আমাদের নিউরোট্রান্সমিটার হিসেবে কাজ করে, যা আমাদের মনকে নিয়ন্ত্রণ করার পাশাপাশি ঘুম, খাবারের রুচি ও হজমের প্রক্রিয়াকে বিশেষভাবে প্রভাবিত করে। এ ছাড়া সেরেটোনিন ফসফরাস শোষণে সাহায্য করে, যা আমাদের মস্তিষ্কের নতুন কোষ গঠনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ভিটামিন ডির উৎস
সূর্যের আলো থেকে আমরা ভিটামিন ডি পেয়ে থাকি। এ ছাড়া ডিমের কুসুম, মাশরুম ও ফর্টিফায়েড খাবার থেকেও ভিটামিন ডি পাওয়া যায়।