বাংলাদেশ পুলিশ ফুটবল ক্লাবকে হারিয়ে ফেডারেশন কাপে শুভ সূচনা করেছে শেখ রাসেল

গত ফেডারেশন কাপে রানার্সআপ হয়ে চমক দেখিয়েছিল পুরান ঢাকার রহমতগঞ্জ মুসলিম ফ্রেন্ডস সোসাইটি। তাদের চমকের পেছনের অন্যতম অবদান ছিল তাজিকিস্তানের ডিফেন্ডার সিওভুশ আশরোরোভের। এবার সেই তাজিক ডিফেন্ডারকে আগেভাগেই দলে নিয়ে নেয় শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র। আজ বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে আশরোরোভের একমাত্র গোলেই বাংলাদেশ পুলিশ ফুটবল ক্লাবকে হারিয়ে ফেডারেশন কাপে শুভ সূচনা করেছে শেখ রাসেল।

পুরোনো চারজনকে বিদায় দিয়ে নতুন চার বিদেশি ফুটবলার দলে ভিড়িয়েছে শেখ রাসেল। সিওভুশ ছাড়া কিরগিজস্তানের বখতিয়ার দুশাবেকভ ও নাইজেরিয়ার উগুচুকু মোনেকেও বাংলাদেশের ফুটবলে পরীক্ষিত। সর্বশেষ মৌসুমে দুশাবেকভ খেলেছেন বসুন্ধরা কিংসে আর মোনেকে ছিলেন মোহামেডানের মেরুদণ্ড। শেখ রাসেলের জার্সিতেও প্রথম ম্যাচে আলো ছড়িয়েছেন তাঁরা। কিন্তু যে ব্রাজিলিয়ান জিয়ানকার্লো রদ্রিগেজকে নিয়ে কৌতূহল ছিল সবার, তাঁকে মাঠে চিনতে হয়েছে দীর্ঘদেহী শরীর দেখে। প্রায় ৬ ফুট ৪ ইঞ্চি উচ্চতার রদ্রিগেজকে খেলার মতোই ফিট মনে হয়নি।

শ্রীলঙ্কান কোচ পাকির আলির পুলিশের বিপক্ষে ৪-৩-৩ ফরমেশনে দল সাজিয়েছিলেন শেখ রাসেলের কোচ সাইফুল বারী। মাঝমাঠে বখতিয়ার, মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ও হেমন্ত ভিনসেন্ট জায়গা বদল করে খেলেছেন। আক্রমণভাগের ডান প্রান্তে উগুচুকু ও বাঁ প্রান্তে তকলিস আহমেদ। সবার সামনে রদিগ্রেজ। তাঁদের মধ্যে উগুচুকু বারবার প্রান্ত বদল করে খেলে পুলিশকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছেন। মাঝেমধ্যে মাঝমাঠে নেমে এসে প্রতিপক্ষের পা থেকে বলও কেড়ে নিয়েছেন।

ম্যাচে গোল করার প্রথম সুযোগটি পেয়েছিলেন উগুচুকুই। ২৪ মিনিটে লেফট ব্যাক ইয়ামিন মুন্না ও লেফট উইঙ্গার তকলিসের ওয়ান টু ওয়ানে পুলিশের রক্ষণ খুলে যায়। বক্সের কাছাকাছি গোললাইন থেকে কাট ব্যাক করেছিলেন মুন্না। কিন্তু বক্সের মধ্যে থেকে ভালোভাবে পা লাগাতে পারেননি উগুচুকু। ৮ মিনিট পরেই আবার উগুচুকু হতে পারতেন গোলের উৎস। ডান প্রান্ত থেকে তাঁর ক্রসে আনমার্কড থাকা অবস্থাতেও ভালো হেড নিতে পারেননি তকলিস।