ব্যাংক কার্ড নিয়ে একবার বেশ ঝামেলায় পড়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নের বাসিন্দা সায়মা। রেস্টুরেন্টে খেতে গিয়েছিলেন। যে চেয়ারে বসেছিলেন তার হাতলে ঝুলিয়ে রেখেছিলেন ব্যাগটি। কল্পনাতেও মাথায় আসেনি এ রকম একটি দেশে, এ রকম একটি রেস্টুরেন্টে ব্যাগ থেকে মানিব্যাগ খোয়া যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটবে। বিল দিতে গিয়ে দেখেন ব্যাগের চেইন খোলা, ভেতরে থাকা ছোট্ট মানিব্যাগটি কেউ তাঁর অগোচরে তুলে নিয়েছেন। টাকা তো গেছেই সেই সঙ্গে গেছে যাবতীয় কার্ড। দ্রুত ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা জানাল, ইতিমধ্যেই এটিএম থেকে ডেবিট কার্ড দিয়ে তুলে নেওয়া হয়েছে হাজার ডলার। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, চোর কীভাবে জানল ডেবিট কার্ডের নম্বর। এখানে একটা ছোট্ট ভুল করেছিলেন সায়মা। ভুলে যান বলে একটা কাগজে পিন নম্বরটা লিখে মানিব্যাগেই রেখেছিলেন তিনি।
আসলে ডেবিট কার্ড জালিয়াতি তখনই করা সম্ভব, যখন অপরাধী কার্ড ব্যবহারের গোপন নম্বরটা জেনে যান। অবশ্য কেবল অসাবধানী হলেই যে এমনটা ঘটে তা নয়, অপরাধী নানাভাবেই এই তথ্য জোগাড় করে ফেলতে পারেন। দোকানে ডেবিট কার্ড দিয়ে কেনার সময় অসাধু ব্যবসায়ী না হলে হ্যাকাররা খুচরা বিক্রেতার নিরাপত্তাহীন কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক থেকে কার্ডের তথ্য নিয়ে নিতে পারেন।






