১৬ টেস্ট, ১২১ ওয়ানডে আর ৮৪ টি-টোয়েন্টি-এখানেই কি থেমে যাবে পাকিস্তানের একটি প্রজন্মের সেরা ব্যাটসম্যানের ক্যারিয়ার? অবস্থাদৃষ্টিতে তাই মনে হচ্ছে। খামখেয়ালি আচরণের কারণে দলে কখনো থিতু হতে পারেননি উমর আকমল। আর এখন ২৯ বছর বয়সে এসে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের কাছ থেকে জুটেছে তিন বছরের নিষেধাজ্ঞা। ফলে ফেরার আশা করাটা কঠিনই বটে। উমর তাই শেষ চেষ্টা চালাচ্ছেন। নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আপিল করেছেন আজ।
ম্যাচ পাতানোর দায়ে পাকিস্তান ক্রিকেটে সর্বশেষ বড় শাস্তি পেয়েছিলেন তিনজন। এদের মধ্যে মোহাম্মদ আমির আবার প্রত্যাবর্তন করতে পেরেছেন। বাকি দুজন সালমান বাট ও মোহাম্মদ আসিফের সে সুযোগ হয়নি। এ তিনজনের তুলনায় উমর আকমলের অপরাধের তীব্রতা কম। ম্যাচ পাতানো বা স্পট ফিক্সিংয়ের কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি তাঁর বিরুদ্ধে। কিন্তু সন্দেহভাজন লোক তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করার পরও যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানাননি সময়মতো। ঠিক এ ধরণের অপরাধেই এক বছরের জন্য নিষেধাজ্ঞা কাটাচ্ছেন সাকিব আল হাসান। কিন্তু সাকিব নিজের অপরাধ স্বীকার করে নিয়েছিলেন বলে শাস্তির মাত্রা কমেছে। ওদিকে উমর আকমল এখনো বলছেন, তিনি কোনো অপরাধ করেননি।






