২০ হাজার মানুষকে বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হয়ে উপজেলা সদরে যেতে হয়।

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার যমুনেশ্বরী নদীর নারায়ণজন ঘাটে সেতু নেই। শুকনো মৌসুমে এখানে স্থানীয় লোকজন  সাঁকো দিয়ে চলাচল করেন। কিন্তু সাঁকোটি বেশ নড়বড়ে হয়ে গেছে। সাঁকোর কোথাও কোথাও খুঁটি সরে গেছে। তবুও এই ভাঙা সাঁকোই ১৫টি গ্রামের মানুষের পারাপারের একমাত্র ভরসা।

এদিকে বর্ষায় নৌকা বা কলাগাছের ভেলাই তাঁদের ভরসা। এতে ভোগান্তির শিকার হন এলাকার বাসিন্দারা। তবে বর্ষায় নৌকা বা কলাগাছের ভেলায় চলাচলে সবচেয়ে ঝুঁকির শিকার হয় কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।

তারাগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে হাড়িয়াকুঠি ইউনিয়নের নারায়ণজনঘাট। এ খেয়াঘাটের দুই পারে আছে ১৫টি গ্রাম। এর মধ্যে নারায়ণজন, কবিরাজপাড়া, খিয়ারপাড়া, হাজিপাড়া, কুঠিপাড়া, জুম্মাপাড়া, সরকারপাড়া, চাকলা, জলুবার, বানয়িপাড়া, জেলেপাড়া, নদীরপার, রহিমাপুর, পাচানীসহ ১৫টি গ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষকে সাঁকো দিয়ে পারাপার হয়ে উপজেলা সদরে যেতে হয়।