দুর্দান্ত, রোমাঞ্চকর, উত্তেজনাপূর্ণ—চাইলে এমন আরও শব্দ যোগ করে দেওয়া যেতে পারে। যার শেষ হয়েছে স্নায়ুর চূড়ান্ত পরীক্ষা সাডেন ডেথ পর্বে। টাইব্রেকারে সাডেন ডেথের তিন নম্বর শটে গিয়ে হয়েছে ম্যাচের মীমাংসা। শেষ পর্যন্ত মোহামেডান স্পোর্টিংকে টাইব্রেকারে ৭-৬ ব্যবধানে হারিয়ে ফেডারেশন কাপের সেমিফাইনালের টিকিট হাতে নিয়েছে সাইফ স্পোর্টিং। কোয়ার্টার ফাইনালে নির্ধারিত সময়ে ম্যাচটি ২-২ গোলে সমতায় শেষ হয়েছিল।
টাইব্রেকারের পঞ্চম শট শেষেও ৪-৪ সমতা। সাডেন ডেথে প্রথম দুই শট থেকে গোল করে উভয় দলই। সাডেন ডেথের তিন নম্বর শট নিতে এসে পোস্টের বাইরে মারেন মোহামেডানের ডিফেন্ডার মোহাম্মদ আতিকুজ্জামান। পক্ষান্তরে গোল করতে কোনো ভুলই করেননি সাইফের উজবেক মিডফিল্ডার সিরোজিউদ্দিন রাখমাতুলেভ। এর আগে মোহামেডান ও সাইফের একটি করে শটে গোল করতে ব্যর্থ হয়েছেন যথাক্রমে আমিনুর রহমান সজিব ও ইয়াছিন আরাফাত।
এর আগে গোল, পাল্টা গোলে সমতা। সমতায় ফিরে এগিয়ে যাওয়া। পিছিয়ে পড়া দলের আবার সমতায় ফেরা। অতিরিক্ত সময়ে ম্যাচ গড়িয়ে ১২০ মিনিটেও ম্যাচের নিষ্পত্তি না হওয়া। সব মিলিয়ে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে দারুণ এক ম্যাচ। অবশ্য ম্যাচটি এত দূর পর্যন্ত যায়-ই না। যদি মোহামেডানের গোলরক্ষক আহসান হাবিব সাইফ আক্রমণভাগের সামনে প্রাচীর হয়ে না দাঁড়াতেন। দ্বিতীয়ার্ধে বেশ কয়েকটি দুর্দান্ত সেভ দিয়েছেন আহসান।
ম্যাচের শুরুটা হয়েছে পাগলাটে ছন্দে। প্রথম মিনিটেই এগিয়ে যায় মোহামেডান। ১১ মিনিটের মধ্যেই সাইফ এগিয়ে ২-১, অর্থাৎ ম্যাচের ১১ মিনিটেই ৩ গোল।
আগের ম্যাচে মুক্তিযোদ্ধা সংসদকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল মোহামেডান। সেদিন যেখানে শেষ করেছিল, আজ যেন সেখান থেকেই লন্ডভন্ড মেজাজে শুরু করেছিল সাদা-কালোরা। প্রথম ৫ মিনিটেই মোহামেডানের নামের পাশে ৩-০ হয়ে গেলেও অবাক হওয়ার কিছু ছিল না। দুইটি গোলের সুযোগ নষ্ট করেছেন ফরহাত মনা ও একটি শাহেদ হোসেন।






