ঢাকার অপরাধজগৎ

শীর্ষ সন্ত্রাসীদের কেউ কারাগারে বসে, কেউ বিদেশে থেকে ঢাকার অপরাধজগৎ নিয়ন্ত্রণ করছেন। এই নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে তাঁদের সহযোগীরা প্রতিপক্ষের সঙ্গে বিরোধে জড়াচ্ছেন, ঘটাচ্ছেন খুনখারাবিও। সম্প্রতি জামিনে মুক্তি পাওয়া শীর্ষ সন্ত্রাসী তারিক সাঈদ মামুনের ওপর হামলার ঘটনায় ঢাকার অপরাধজগৎ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। কারাবন্দী আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমনের সহযোগীরা ওই হামলা চালিয়েছেন বলে তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর মামুনের ওপর হামলার এক দিন আগে আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী নাঈম আহমেদ টিটন জামিনে মুক্তি পান। দুই দশক তিনি কারাবন্দী ছিলেন। টিটন শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমনের শ্যালক। টিটনের মুক্তির চার দিন পর ২২ সেপ্টেম্বর জামিনে মুক্তি পান আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী খোরশেদ আলম রাসু। কারাগার থেকে বেরিয়ে আসার পর তাঁরা নতুন করে আরও কোনো সংঘাতে জড়িয়ে পড়েন কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ, জমি-বাড়ি দখল, কেব্‌ল টিভি ও ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করেই মূলত বিরোধে জড়ান শীর্ষ সন্ত্রাসীরা। তাঁরা কারাগারে বা বিদেশে অবস্থান করলেও তাঁদের স্থানীয় সহযোগীরা এখনো সক্রিয়। ওই সহযোগীদের নির্দেশনা দিয়ে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করিয়ে চলেছেন তাঁরা।