‘উচ্চবংশীয়’ ছাগল কিনতে গিয়ে আলোচনায় আসা মুশফিকুর রহমান ওরফে ইফাত গত বছরও ঈদুল আজহার সময় রাজধানীর মোহাম্মদপুরের সাদিক অ্যাগ্রো থেকে ছয়টি পশু কিনেছিলেন। এর মধ্যে ছিল দুটি গরু, দুটি ছাগল ও দুটি ভুট্টি (খর্বাকৃতির গরু)। এই ছয় পশু কিনতে তাঁর খরচ হয়েছিল প্রায় ৩০ লাখ টাকা।
সাদিক অ্যাগ্রোর মালিক মোহাম্মদ ইমরান হোসেন জানান, এই ঈদে সাদিক অ্যাগ্রো থেকে ১২ লাখ টাকায় একটি ছাগল (দাম চাওয়া হয়েছিল ১৫ লাখ টাকা), ১১ লাখ টাকায় একটি গরু এবং দুই লাখ টাকার একটি ভুট্টি কেনার জন্য ১১ লাখ টাকা অগ্রিম দিয়েছিলেন ইফাত। অগ্রিম দেওয়া টাকার মধ্যে ছাগলের জন্য এক লাখ, গরুর জন্য ৯ লাখ ৫০ হাজার এবং ভুট্টির জন্য ৫০ হাজার টাকা ছিল।
তবে ঈদুল আজহার (১৭ জুন) দুই দিন আগে মেসেঞ্জারে সাদিক অ্যাগ্রো কর্তৃপক্ষকে ইফাত জানান, ছাগল নিয়ে তিনি বিপদে পড়েছেন। যে কারণে এবার গরু-ছাগল নেবেন না। অগ্রিম দেওয়া ১১ লাখ টাকার দাবিও তিনি ছেড়ে দিয়েছেন।
তবে ইফাতের পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরা বলছেন, ইফাতের মা শাম্মী আখতার ওরফে শিবু মতিউর রহমানের দ্বিতীয় স্ত্রী। শাম্মীর বাবার বাড়ি ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামে। শাম্মী ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য (ফেনী-২) নিজাম উদ্দীন হাজারীর আত্মীয়।
ইফাতের বাবা মতিউর রহমান এনবিআরের কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালেরও প্রেসিডেন্ট। একজন সরকারি কর্মকর্তা হয়েও শেয়ারবাজারে প্লেসমেন্ট শেয়ারের বড় ব্যবসায়ী তিনি। বিষয়টি তিনি নিজেও অস্বীকার করেননি। বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এনটিভিতে (১৯ জুন প্রচারিত) এক সাক্ষাৎকারে মতিউর রহমান বলেছেন, তিনি বিভিন্ন কোম্পানির প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) ওই কোম্পানির মালিকদের কাছ থেকে কম দামে কিনে নিয়ে পরে বাজারে বেশি দামে বিক্রি করে অনেক মুনাফা করেছেন।
সাদিক অ্যাগ্রোর কাছে ইফাত সে






